দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে চলমান প্রশাসনিক সংকট নতুন করে তীব্র আকার ধারণ করেছে। উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ তৌফিক আলমকে ক্যাম্পাসে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করে পূর্ণাঙ্গ শাটডাউন কর্মসূচি দিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা।
রোববার (১০ মে) শিক্ষক সমাজের ব্যানারে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ কর্মসূচির ঘোষণা দেওয়া হয়।
এর আগে গত ২০ এপ্রিল থেকে পদোন্নতিসহ বিভিন্ন দাবিতে টানা আন্দোলনে নামেন শিক্ষকরা। সেই আন্দোলনের কারণে প্রায় ১০ দিন বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাকাডেমিক কার্যক্রম বন্ধ থাকে, ক্লাস-পরীক্ষা স্থবির হয়ে পড়ে।
পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে ৩০ এপ্রিল বরিশালের বিভাগীয় কমিশনার, উপাচার্য এবং শিক্ষক প্রতিনিধিদের নিয়ে একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। ওই বৈঠকে আলোচনার মাধ্যমে সংকট সমাধানের বিষয়ে প্রাথমিক সমঝোতা হলেও পরে তা বাস্তবায়নে কার্যকর কোনো অগ্রগতি হয়নি বলে অভিযোগ শিক্ষকদের।
শিক্ষকদের দাবি, ৮ মে রাত ১০টার দিকে ৯ মে সকাল ১১টায় সিন্ডিকেট সভা আহ্বান করা হয়, যেখানে অধিকাংশ সদস্যের মতামত উপেক্ষা করা হয়েছে এবং সংকট নিরসনে কার্যকর সিদ্ধান্ত আসেনি।
এ পরিস্থিতিতে রোববার অনুষ্ঠিত শিক্ষকদের সাধারণ সভায় কয়েকটি সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এর মধ্যে রয়েছে ১১ মে থেকে উপাচার্যকে ক্যাম্পাসে অবাঞ্ছিত ঘোষণা এবং একই দিন থেকে ক্লাস, পরীক্ষা ও প্রশাসনিক কার্যক্রমসহ সব ধরনের অ্যাকাডেমিক কার্যক্রমে পূর্ণাঙ্গ শাটডাউন।
এছাড়া প্রশাসনিক দায়িত্বে থাকা শিক্ষকদের পদত্যাগ করার সিদ্ধান্তও নেওয়া হয়েছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।
শিক্ষক নেতারা বলেন, দীর্ঘদিন আলোচনার পথ অনুসরণ করলেও প্রশাসনের পক্ষ থেকে কার্যকর উদ্যোগ না আসায় তারা কঠোর কর্মসূচিতে যেতে বাধ্য হয়েছেন।
এদিকে নতুন করে শাটডাউন ঘোষণায় শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। তাদের আশঙ্কা, দীর্ঘমেয়াদি অচলাবস্থায় সেশনজট আরও বাড়বে।
এ বিষয়ে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ তৌফিক আলমের বক্তব্য জানতে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি সাড়া দেননি।
জে আই